অদ্ভুতআ চরণ গ্রামবাসীর, ঘুম ভাঙতেই বাড়ে য়োন চা হিদা

রহস্যময় গ্রাম হচ্ছে কালাচি! কাযাকিস্তানের গ্রামটির নাম বহুবার সংবাদ শিরোনামে এসেছিল। কারণ সেখানে বেশকিছু গ্রামবাসী প্রায় ছয়দিন একটানা ঘুমিয়েছিলেন। শুধু তাই নয়, এমন ব্যাপার গোটা বিশ্বকে চিনিয়েছে এ গ্রামকে।

শুক্রবার (২৮ মে) আনন্দবাজার পত্রিকা প্রতিবেদনে গ্রাম হচ্ছে ফের উঠে এলো গ্রামটির চিত্র।
ঘ ‘নাটি ২০১২ থেকে ২০১৫ সালের। সব আচরণ প্রকাশ পাচ্ছিল কালাচি গ্রামের মানুষের কেউ যেখানে সেখানে সকলে ঘুমিয়ে পড়ছিলে নগ্রাম হচ্ছে !

কারও ঘুমই ভাঙছিল না তাদের কেউ চোখের সামনে দেখতে পাচ্ছিলেন।ঘুমের পরিমাণ এমনই তীব্র হয়ে উঠছিল যে যারা ঘুমাচ্ছেন, তারা যেন কিছুতেই চোখের পাতা খোলারাখতে পারছিলেন না। আর যারা অকারণে ঘুমিয়ে পড়ছিলেন, তারা ঘুম থেকে উঠেই সবকিছু ভুলেবস’ ছিলেন।

কখন ঘুমিয়ে পড়েছিলেন,
কী কারণে ঘুমিয়ে পড়েছিলেন এসব কিছুই মনে থাকছিল না কারও। তার সঙ্গে গ্রাম আরও যুক্ত হতে থাকে মাথাব্যথা । এমনও কয়েকবার হয়েছে যে একজন সারা দিনে ৫-৬ বারের বেশিও ঘুমিয়ে পড়েছিলেন।

জানা গেছে যে, এই ৩ বছরে গ্রামটির ১৬০ জন বাসিন্দা অদ্ভুত এক রোগে আক্রান্ত হয়ে পড়েছিলেন। বাসিন্দাদের কয়েকবার কেউ ঘুমিয়েছেন টানা ৬ দিন, কেউ দেখেছেন পক্ষীরাজ কয়েকবার ঘোড়া ছুটে যেতে। শুধু মানুষ নয়, কয়েকবার পশু-পাখিরাও এই ঘুমের হাত থেকে রেহাই পায়নি।

এমনও হয়েছে যে টানা ৬ দিন ঘুমিয়ে কয়েকবার তারপর যখন ঘুম বেড়ে যায়। আবার কারও চোখের সামনে সারাক্ষণ অদ্ভুত সব দৃশ্য ঘুরে বেড়ায়। কখনও বিছানার মধ্যে দেখতে পান, তো কখনও পক্ষীরাজ ঘোড়া ছুটে যেতে দেখতে পান কেউ কেউ।

এ ছাড়া খাবারে অনীহা, মাথা ঘোরাসহ নানা শারীরিক কয়েকবার তো ছিলই তাদের মধ্যে। কেন এমন ঘটছিল?

২০১৪ সালে প্রথম এ নিয়ে সংবাদপত্ কয়েকবার রে খবর প্রকাশিত হয়। সেই খবর সারা বিশ্বের নজর কাড়েনিয়ে গবেষণা শুরু হয়।

২০১৫ সালে কাযাকের প্রশাসনের পক্ষ থেকে একটি গবেষণার প্রকাশ করা হয়। তাতে কারণ কয়েকবার হিসেবে উল্লেখ করা ছিল,

বাতাসে কয়েকবার অতিমাত্রাই এর কারণ।

 

Check Also

পরীমনি খুব ভালো মেয়ে: বললেন তসলিমা

তসলিমা নাসরিন বাংলাদেশের একজন সাহিত্যিক ওচিকিৎসক। বিংশ শতাব্দীর আশির দশকে একজন বলে আমরা জানি। উদীয়মান …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *